অজান্তেই ফাঁস হচ্ছে না তো তথ্য? স্মার্টফোনের গোপনীয়তা রক্ষায় নিন ৭ পদক্ষেপ

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : স্মার্টফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। তবে অসতর্কভাবে কিছু সেটিংস চালু থাকলে ব্যক্তিগত তথ্য, অবস্থান কিংবা কথোপকথন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বিভিন্ন অ্যাপ বা সেবার কাছে পৌঁছে যেতে পারে। তাই গোপনীয়তা সুরক্ষায় অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস নিয়মিত যাচাই করা জরুরি।

১. ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখুন

গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ভয়েস কমান্ড শনাক্ত করতে মাইক্রোফোন ব্যবহার করে। এ সুবিধা ব্যবহার না করলে সেটিংস থেকে এটি বন্ধ রাখুন। এতে গোপনীয়তা বাড়বে, পাশাপাশি ব্যাটারির ব্যবহারও কিছুটা কমবে।

২. অপ্রয়োজনীয় ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন অনুমতি বাতিল করুন

অনেক অ্যাপ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি অনুমতি চায়। ফোনের প্রাইভেসি বা পারমিশন ম্যানেজার থেকে দেখে নিন কোন অ্যাপ ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ব্যবহার করছে। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোর অনুমতি বাতিল করে দিন।

৩. লোকেশন ট্র্যাকিং সীমিত করুন

সব সময় অবস্থান জানার অনুমতি না দিয়ে অ্যাপের জন্য অ্যাপ ব্যবহারের সময় বা প্রতিবার জিজ্ঞেস করবে—এ ধরনের বিকল্প ব্যবহার করুন। এতে অপ্রয়োজনীয় লোকেশন ট্র্যাকিং কমবে।

৪. পুরো গ্যালারির বদলে নির্দিষ্ট ছবি শেয়ার করুন

অনেক অ্যাপ ছবি আপলোডের সময় পুরো গ্যালারির অনুমতি চায়। সম্ভব হলে নির্বাচিত ছবি ব্যবহারের অনুমতি দিন। এতে ব্যক্তিগত ছবিগুলো আরও নিরাপদ থাকবে।

৫. ব্যাকগ্রাউন্ডে অ্যাপ চালু থাকা সীমিত করুন

অনেক অ্যাপ বন্ধ করার পরও ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে। যেসব অ্যাপ নিয়মিত ব্যবহার করেন না, সেগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম বন্ধ রাখুন।

৬. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্ক থাকুন

হোটেল, রেস্তোরাঁ বা অন্যান্য উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঝুঁকি বেশি থাকে। সংবেদনশীল কাজের ক্ষেত্রে সম্ভব হলে মোবাইল ডেটা ব্যবহার করুন।

৭. সব সময় কণ্ঠস্বর শনাক্তকারী ফিচার বন্ধ রাখুন

কিছু ফোনে এমন ফিচার থাকে, যা সব সময় কণ্ঠস্বর শনাক্ত করার জন্য সক্রিয় থাকে। এ ধরনের সুবিধা প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখুন, যাতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা আরও সুরক্ষিত থাকে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ইরানে বন্দুকধারীদের গুলিতে ইমাম নিহত

» আন্দোলনে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে : নাহিদ ইসলাম

» দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার সাইদুর

» রংপুর বিভাগকে বাজেট বৈষম্যের মধ্যে রাখা যাবে না: আখতার হোসেন

» হজযাত্রীদের সংরক্ষিত আবাসন ১ শতাংশ বহাল রাখার অনুরোধ ধর্মমন্ত্রীর

» জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন

» গণভোট অবৈধ হলে বিএনপি সরকারও অবৈধ: সারজিস আলম

» আমাদের ৫ মিনিটের কথার উত্তর দিতে বাঘা বাঘা মন্ত্রীর ৪৫ মিনিট চলে যায়: এমপি হাসনাত

» রাজনৈতিক দলগুলো সমঝোতার মধ্যে না থাকলে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে : রিজভী

» দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে ইবোলা ভাইরাস, মৃত্যু বেড়ে ৯৩০

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

অজান্তেই ফাঁস হচ্ছে না তো তথ্য? স্মার্টফোনের গোপনীয়তা রক্ষায় নিন ৭ পদক্ষেপ

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : স্মার্টফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। তবে অসতর্কভাবে কিছু সেটিংস চালু থাকলে ব্যক্তিগত তথ্য, অবস্থান কিংবা কথোপকথন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বিভিন্ন অ্যাপ বা সেবার কাছে পৌঁছে যেতে পারে। তাই গোপনীয়তা সুরক্ষায় অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস নিয়মিত যাচাই করা জরুরি।

১. ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখুন

গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ভয়েস কমান্ড শনাক্ত করতে মাইক্রোফোন ব্যবহার করে। এ সুবিধা ব্যবহার না করলে সেটিংস থেকে এটি বন্ধ রাখুন। এতে গোপনীয়তা বাড়বে, পাশাপাশি ব্যাটারির ব্যবহারও কিছুটা কমবে।

২. অপ্রয়োজনীয় ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন অনুমতি বাতিল করুন

অনেক অ্যাপ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি অনুমতি চায়। ফোনের প্রাইভেসি বা পারমিশন ম্যানেজার থেকে দেখে নিন কোন অ্যাপ ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ব্যবহার করছে। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোর অনুমতি বাতিল করে দিন।

৩. লোকেশন ট্র্যাকিং সীমিত করুন

সব সময় অবস্থান জানার অনুমতি না দিয়ে অ্যাপের জন্য অ্যাপ ব্যবহারের সময় বা প্রতিবার জিজ্ঞেস করবে—এ ধরনের বিকল্প ব্যবহার করুন। এতে অপ্রয়োজনীয় লোকেশন ট্র্যাকিং কমবে।

৪. পুরো গ্যালারির বদলে নির্দিষ্ট ছবি শেয়ার করুন

অনেক অ্যাপ ছবি আপলোডের সময় পুরো গ্যালারির অনুমতি চায়। সম্ভব হলে নির্বাচিত ছবি ব্যবহারের অনুমতি দিন। এতে ব্যক্তিগত ছবিগুলো আরও নিরাপদ থাকবে।

৫. ব্যাকগ্রাউন্ডে অ্যাপ চালু থাকা সীমিত করুন

অনেক অ্যাপ বন্ধ করার পরও ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে। যেসব অ্যাপ নিয়মিত ব্যবহার করেন না, সেগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম বন্ধ রাখুন।

৬. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্ক থাকুন

হোটেল, রেস্তোরাঁ বা অন্যান্য উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঝুঁকি বেশি থাকে। সংবেদনশীল কাজের ক্ষেত্রে সম্ভব হলে মোবাইল ডেটা ব্যবহার করুন।

৭. সব সময় কণ্ঠস্বর শনাক্তকারী ফিচার বন্ধ রাখুন

কিছু ফোনে এমন ফিচার থাকে, যা সব সময় কণ্ঠস্বর শনাক্ত করার জন্য সক্রিয় থাকে। এ ধরনের সুবিধা প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখুন, যাতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা আরও সুরক্ষিত থাকে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com